...
Dr. Arun More

BLOOD PRESSURE NUMBERS ? JUST LEAVE THE HEADACHE TO US, YOU ? BE RELAX !!

In my clinical practice in OPD, I check blood pressure at least two times, once by my assistant nurse and once by me on both the limbs respectively. First reading , I find always little higher than the second reading, interesting na !!

...

Every time when either I complete the check of BP or my assistant, the curious patient and the staring attendee asks what’s the pressure ? and whatever the readings we utter , they will just say, “oh ! its high now” , even though the BP is 130 / 88. Let me tell you few facts about the blood pressure. Its the lateral pressure , exerted by blood on the walls of blood vessels. Its important to maintain a normal BP to provide adequate supply of the blood to all organs and cells of body, exactly in same way as the pressure in water pipeline has to be maintained upto a certain level so that the last tap of our home should get water !! What maintains the blood pressure up to normal ? Condition of the heart, the pumping ability (contractility), power of the heart (force of contraction) , condition of the vessels, the sympathetic and parasympathetic responses from the body, the adrenergic responses, the stress level (physical and mental) etc.. But what is normal blood pressure ? We were taught at our secondary school and medical school as reading of 120 / 80 is the normal BP . Is it right ? NO. Actually the blood pressure which is less than 120 / 80 with adequate perfusion to the organs is the normal BP. The newer guidelines (JNC 8), after extensive studies have recommended the readings to less than 140 / 90. I want to clear your a very common confusion here, if any person has a BP of 100 / 60 but has came to us walking in OPD without any symptoms like giddiness or less urine output , this is not a low BP. Its absolutely normal BP for THAT INDIVIDUAL , please understand, THAT INDIVIDUAL !!. Let me give you a example, if a patient having some heart problem is admitted to hospital or comes with a heart attack and the BP on arrival was 150 but at a certain point its 100, then it makes a difference and we doctors can term it as low BP (Hypotension) and needs to be corrected. There are many individuals who has BP in range of 100 or 90. Now what about high BP. Let me tell you something interesting, when I was studying my Postgraduation in Cardiology, I was newly joined juniour doctor and one day while evaluating a patient I found BP of 210/ 130 !! I got so scared and rushed to my professor expressing my concern of having so high BP. I thought , he will tell me to shift the patient immediately to CCU and start medications; but, he saw to me , and very calmly he said , Arun, adjust the dose of the medicine and send him home !!! I was surprised to see this, but I learned later during my PG life and now in my Physician life that, whatever a BP level, if its not causing any ACUTE symptoms, just be calm and quite, because a hasty intervention by either doctor or patient will definitely cause harm to the patient. So as far as your BP levels are less and you don’t have any symptoms like giddiness, low urine output ; in same way you don’t have to much worry if you have crossed the BP level beyond (your) normal and have no symptoms like headache, blurring vision, breathlessness or giddiness. Please have a knowledge that patients having kidney disease has different target BP levels. I would like to share you another interesting story, recently i had a pateint who himself is a doctor. He came to me with very high BP readings and gave me a very funny history; he used to check the BP and used to find it around 180 and then he used to have giddiness so he used to take injection lasix to reduce the BP. After few minutes of inj lasix, he used to feel giddy again and now the BP readings are in range of 90 !! He was tired of these episodes and was very much worried of this BP variation. I counselled him and made compulsion to check the BP only from me and he will not check it at home, he is following to me since last 2 months and now his all time BP is well maintained. I would like to share you a knowledge with you. Please learn that , the BP has to be lowered down in short time of the patients who is having heart attack, severe chest pain, acute breathlessness ( Acute pulmonary edema), stroke. There is no hurry to reduce your BP suddenly if you are quite stable. Also remember, when we are treating your BP in OPD, we are lowering it not for the day but for the years ahead to come. Its the long term high BP which damages the organ than a short term high BP readings. Aother one of big headache for us is , having a BP apparatus at home and patients themselves recording their BP at home. The readings always fluctuates and its the doctor and medicines who is blamed for !! Please remember , naturally there are changes in BP during various time of the day and with various activities. It just not changes when you climb few stares but also when you are scared and thinking of something else !! You know , the variation in BP readings with time is called as Diurnal changes.

...

My dear patients, as I said in my initial para, the first BP reading, I always get at higher than the second, most of you know, its your anxiety causing this which is out of just arrival in OPD room and by the time I take second reading, your mind is settled in the OPD room and your reading falls down than the first , though still it may be higher. You please don’t worry of the numbers of your blood pressure, no doubt you have to worry about having a high blood pressure but please leave us the headache of your BP numbers and you be relax as thinking of BP numbers itself increases your BP and puts you in trouble. Let we think of your future with complete evaluation of your having hypertension and treating it. I hope you understand that your worry and exaggerated information about the high BP numbers could end in your doctor prescribing high doses of antihypertensive drugs. Any of the drugs has its own effects and side effects so let we not damage our body with doses which are not required. At end I request all the people who have high BP (hypertension) , BLOOD PRESSURE NUMBERS ? JUST LEAVE THE HEADACHE TO US, YOU ? BE RELAX. But do you really know , why you have to control your blood pressure ? Let me tell you in my next article in the simple language you will understand.



...
Dr. Shahriar

হৃদরোগ ও বিষন্নতা

...

হৃদরোগ ও বিষন্নতা একটি অপরটির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। স্বা,ভাবিক মানুষের চেয়ে হৃদরোগে ভুগছেন তাদের মধ্যে বিষন্নতার মাত্রা অনেক বেশি। আবার যারা বিষন্নতায় ভুগছেন তাদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। সুতরাং বলা যায় হৃদরোগ একটি অপরটির সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। গবেষনায় দেখা যায়, যারা হার্টের অসুখে ভুগছেন তাদের মধ্যে শতকরা ১৫ ভাগ রোগী মাঝারি থেকে বড় ধরনের বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। ডাক্তারি ভাষায় আমরা যাকে বলি মেজর ডিপ্রেসিভ ডিজওর্ডার। যে সকল হার্টের রোগী অপারেশন বা বাইপাস সার্জারী করছেন তাদের ক্ষেত্রে বিষন্নতার হার আরও বেশী, শতকরা ২০ ভাগ। সাধারনত প্রথমবার হা্র্টের অসুখ ধরা পড়লে কিংবা বাইপাস সার্জারীর পরে দু-এক সপ্তাহ হালকা ধরনের বিষন্নতায় ভোগা স্বাভাবিক ব্যাপার। ধীরে ধীরে আগের স্বাভাবিক কাজ-কর্মে ফিরে গেলে এই বিষন্নতা কমতে আরম্ভ করে এবং একসময় সম্পূর্ন সেরে যায়। কিন্তু যদি এই বিষন্নতা দু-স।প্তাহ পরেও বাড়তে থাকে তাহলে অবশ্যই তার জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন। কারন গবেষনায় দেখা যায় যে, হৃদরোগের রোগীরা বিষন্নতায় আক্রান্ত হলে পরবর্তীতে তাদের হৃদরোগের জটিলতা বৃদ্ধি পায় এবং তাদের হার্টের অসুখের পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা ও বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। একটি গবেষনায় দেখা গেছে, হৃদরোগের চিকিৎসার পর যে সব রোগী বিষন্নতায় ভুগতে থাকেন তাদের মধ্যে হৃদরোগের জটিলতায় মৃত্যুর সম্ভাবনা শতকরা ১৭ ভাগ বৃদ্ধি পায়। আবার, ওপেন হার্ট সার্জারীর পর যারা বিষন্নতায় আ্ক্রান্ত হন তাদের মধ্যে শতকরা ৩০ ভাগ রোগী দীর্ঘ মেয়াদী ব্যাথায় ভোগেন। এবং অনেক সামাজিক স্বাভাবিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। অপরদিকে, যারা বিষন্নতায় ভুগছেন তাদের হার্টের অসুখের সম্ভাবনা স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে অনেক বেশি, কারন বিষন্নতার কারনে অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন, ইমিউনিটি বা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং রক্তের পস্নাটেলেটের অনিয়মিত কার্যকলাপ ইত্যাদি ঘটে থাকে যেগুলো হার্টের অসুখের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। কিভাবে বুঝবেন যে আপনি বিষন্নতায় ভুগছেন? নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করুন, “দিনের বেশির ভাগ সময় কি আমার মন খারাপ থাকে ?” উত্তর যদি হ্যা হয় এবং যদি তার স্থায়িত্ব দুই সপ্তাহ বা তার বেশী হয় তবে কারন যাই হোক না কেনো, আপনি বিষন্নতায় ভুগছেন। এছাড়া বিষন্নতার আরও কিছু গুরুত্বপূর্ন লক্ষন রয়েছে, যেমন: কোন কাজে আগ্রহ না পা্ওয়া, অহেতুক শরীর দূর্বল লাগা, ঘুম কমে যাওয়া অথবা অতিরিক্ত ঘুম না পাওয়া, ক্ষুধা না লাগা বা অতিরিক্ত ক্ষুধা পাওয়া, অকারন মাথা ব্যথা, আত্নহত্যার চিন্তা বা প্রবনতা, মেজাজ খিটখিটে থাকা, স্মৃতিশক্তি লোপ পা্ওয়া, আত্নবিশ্বাস কমে যাওয়া, অল্পতেই হতাশাগ্রস্হ হয়ে পড়া ইত্যাদি।

মনে রাখবেন: বিষন্নতা একটি রোগ যা আপনার হৃদরোগের সম্ভাবনা এবং জটিলতা দুটোই বাড়িয়ে। তাছাড়া বিষন্নতা আপনার জীবন যাপনের মানকেও বিপর্যস্ত করে যা ভবিষ্যতে আপনার আরও অনেক রোগের কারন হতে পারে। যেহেতু বিষন্নতা একটি রোগ তাই এক চিকিৎসা করা জরুরী। ঔষধের মাধ্যমে এবং কখনও কখনও ঔষধ ও সাইকোথেরাপী উভয়ের মাধ্যমে বিষন্নতার চিকিৎসা দেয়া হয়। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ নির্মূল করা সম্ভব।